Habiganj Charukola Academy হবিগঞ্জ চারুকলা একাডেমি

Habiganj Charukola Academy হবিগঞ্জ চারুকলা একাডেমি
✅ Greetings From The most prominent art school in Habiganj Charukola Academy. Geographically, it is in the center of Habiganj Sodar.

বাংলাদেশের বেকার সমস্যা নিরসনে সম্ভাবনার নতুন পথ: ১ বছর মেয়াদী “এ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন ফাইন আর্টস”


 বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর Labour Force Survey ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে মোট বেকার মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৬.২৪ লাখ, যার মধ্যে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা প্রায় ৯ লাখ। এই পরিস্থিতিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা দেশের শিক্ষানীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবনী পদক্ষেপ হিসেবে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) অনুমোদিত ১ বছর মেয়াদী “এ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন ফাইন আর্টস” দেশের বেকার যুবসমাজের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে দেশে প্রায় ৩৩,০০০+ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১টি করে সহকারী শিক্ষক (শিল্প ও সংস্কৃতি/চারুকলা) পদ থাকার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে দেশে প্রায় ৩০,০০০–৩৭,০০০ সহকারী শিক্ষক (চারুকলা) পদ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রী জনাব আ ন ম এহছানুল হক মিলন সাম্প্রতিক বক্তব্যে শিক্ষাক্ষেত্রে শিল্প ও সৃজনশীলতাকে প্রাথমিক পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে শিল্প শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন, এবং পাঠ্যক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে কারিগরি শিক্ষাকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

হবিগঞ্জের কালীবাড়ি ক্রস রোডে অবস্থিত “আর্ট অ্যান্ড টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট” (কোড: 63085, EIIN: 140145) ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করে এই কোর্সটির মাধ্যমে ইতিমধ্যেই দুই ব্যাচ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের চাহিদা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি। কোর্সটি সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় সহকারী শিক্ষক (শিল্প ও সংস্কৃতি) পদে যোগ্যতা অর্জন করবেন।

প্রতিষ্ঠানের অধক্ষের মতে, বিশেষভাবে স্নাতক সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা এই ১ বছর মেয়াদী কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষকতার মতো সম্মানিত পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন, যা দেশের বেকার সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া, যারা বর্তমানে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, তাদের পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের তুলনায় এই কোর্সে ভর্তি সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যা কোর্সের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে।

মুক্ত প্রতিযোগিতার এই নতুন সুযোগের মাধ্যমে, শিক্ষার্থীরা কেবল চাকরির যোগ্যতা অর্জন করছেন না, বরং দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি শিক্ষার মানও বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে দক্ষতা-ভিত্তিক, কর্মসংস্থানমুখী এবং সৃজনশীল শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার এই পদক্ষেপ দেশের যুবসমাজকে আত্মনির্ভর ও দক্ষ করে তুলবে।

Post a Comment

0 Comments